শুকনা আঙুর ফলই হচ্ছে কিসমিস।অর্থাৎ আমরা বাজার থেকে যে আঙুর ফল কিনে খাই, তাই শুষীকৃত করে আঙুর বানানো হয়।এটি আপনারা চাইলে বাসাতেও করতে পারবেন।এক্ষেত্রে কালো আঙুর, সবুজ বা অন্য রঙের আঙুর এনে ভিন্ন রকমের কিসমিস করতে পারেন।এছাড়াও বাজারে এমন নানা ধরনের কালারের কিসমিস পাবেন।
যাইহোক আমরা এই মিষ্টি জাতীয় খাবারের কি কি গুণ আছে সেগুলা সম্পর্কে জানবো।
প্রথমতো এটায় মোটামুটি ভালো কিছু পুষ্টিগুণ আছে।যেমন- এতে রয়েছে ফাইবার, যার কারণে এটায় আঁশযুক্ত।এছাড়া আয়রন, শর্করা আর ক্যালসিয়াম তো আছেই।
আর কিসমিস মূলত আমরা ডেজার্ট খাবার হিসেবে বেশি ব্যবহার করি।যেমন- পায়েস, খীর, বিরানি প্রভৃতি খাবারে মুখরোচক হিসেবে দিয়ে থাকি।যার ফলে খাবারগুলো আরো সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হয়ে উঠে।
কিসমিসের উপকারিতা-
আমাদের দেহর বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা ও ত্বকের জন্যও ভালো এবং আরো কাজ করে থাকে।যেমন-
১. চোখ ভালো রাখতে-
কিসমিসে রয়েছে ক্যারোটিন এবং ভিটামিন-এ, যা আমাদের দেহের চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।আর দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্যও কাজ করে থাকে।
২.হজমের সুবিধা হয়-
এতে প্রচুর ফাইবারের সোর্স থাকায় মানবদেহের পাকস্থলীর ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ করে হজমে সহায়তা করে।এছাড়াও আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য এর সমস্যা থাকে, সেটাও ভালো হয়ে যাবে।
৩. রোগ প্রতিরোধে-
এটিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের দেহ থেকে দূষিত পদার্থ বা বর্জ্য বের করে শরীরের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে।আর দেহের রোগ-বালাই দূর করে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।
৪. রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর হয়-
এতে আয়রন থাকায় রক্তের উপাদান হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।এছাড়া এতে বিদ্যমান আয়রন শরীরের রক্তের সমস্যা দূর করে বা রক্ত উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়।
৫. ত্বক ভালো রাখে-
আমাদের দেহের লাবণ্য বা গ্লো ধরে রাখতে পারে এই কিসমিস।আবার এটি শরীরের উজ্জ্বল ভাবও বজায় রাখতে সহায়তা করে থাকে।এছাড়া আপনার ত্বক কুচকে যাওয়ার হাত থেকেও অনেকটা সাহায্য করে বয়স বাড়া বুঝতে পারা যায় না।
৬. ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে-
আমাদের মাঝে প্রচলিত ভুল ধারণা হচ্ছে হয়তো কিসমিস বেশি খেলে আমরা মোটা হয়ে যেতে পারি।তবে এটা পুরোপুরি ভুল, এতে শর্করা আর ফাইবার থাকলেও পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত কিসমিস খেলে মোটা হওয়ার ভয় থাকে না।অর্থাৎ আপনার ওজন অনেকটা স্বাভাবিকই থাকবে