আমরা সাধারণত কিসমিস খাবারেরে সাথে সালাত হিসেবে কিংবা শুধু কিসমিসও খেয়ে থাকি।তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডেজার্ট আইটেম হিসবেই খাবারের সঙ্গে এটা পরিবেশন করা হয়।তবে অনেকেই সকালে কিংবা বিকালে খালি মুখেও খেয়ে থাকে।
১. দুধের সঙ্গে খাওয়া-
আমরা কমবেশি সকলেই দুধ খেতে পছন্দ করি বা দুধ আমাদের প্রায় প্রতিদিন খেতেই হয়, যাবে আমাদের দেহ দৈহিক পুষ্টি পায়।তো এই পুষ্টিগুণ আরো বৃদ্ধি করার জন্য আমরা এতে কিছু কিসমিস যোগ করে দিতে পারি।এতে করে সেটা দেখতেও ভালো লাগবে আর খেতেও বেশ সুস্বাদু হবে।ফলে আমাদের প্রোটিন শক্তির উৎসও বাড়বে।
২. ডেজার্ট আইটেম হিসেবে-
কিসমিস অনেক সময় সালাত হিসেবে বিভিন্ন রান্না করা খাবারে এড করা হয় বা বিভিন্ন খাবার রান্নার সময়ও দেওয়া হয়।যেমন- বিরানিতে, পোলাও কোরমা করার সময়, পায়েস, সেমাই প্রভৃতি রান্না করতে, রোস্ট বানানোতে কিংবা ফলের জুসে বা মিল্কশেক বানানোর জন্য কিছু কিসমিস ব্যবহার করা যায়।
৩. পানিতে রেখে খাওয়া-
প্রতিদিন রাতে পানিতে কিসমিস ভিজিয়ে রেখে তা নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।এটা হচ্ছে শুধু কিসমিস খাওয়া, অর্থাৎ অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে কিসমিস না খাওয়া।এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে পানি যেন অপরিষ্কার না থাকে।