ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার উপকারিতা-
এই ভূষিটা আসলে এক রকমের রবিশস্য জাতীয় উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত ভুসি।যা আমরা মূলত পেটের এসিডিটি সমস্যা দূর করার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকি।তবে এছাড়াও এর বেশ কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো আমরা কম বেশি অনেকেই জানি না।আজকে এসকল উপকারিতা নিয়েই লিখবো।যেমন-
হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য -
আমাদের পেটের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ঠিক করে দেহকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে থাকে।এর মধ্যে বিদ্যমান ফাইবার সহজেই হজম করতে সাহায্য করে থাকে।আমাদের শরীর ঠান্ডা রাখার জন্যও এটি ভালো কাজ করে।
ডায়রিয়া বা পেট ব্যথা দূর করে-
বদহজম এর জন্য অনেক সময় আমাদের পেটের ব্যথা হয়ে থাকে কিংবা পেট খারাপ বা ডায়রিয়া হলে এটি মোটামুটি ভালোই কাজ করে থাকে।এছাড়াও বিভিন্ন জীবাণু এর বিরুদ্ধে এটি কাজ করবে।যেমন- আমাশয় এর ক্ষেত্রে বা পেটের গ্যাসে কিংবা বদহজম এর জন্য এক গ্লাস পানিতে ইসবগুলের ভুসি খেলে ভালো কার্যকর হয়ে থাকে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে-
যারা ডায়েট করতে চান কিংবা নিজেদের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে চান তারা এই ভুসি খেতে পারেন।কারণ এটি খেলে অনেক সময় পর্যন্ত আপনার ক্ষুধার ভাব দূর হয়ে যায়।তাই পেট ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি নিয়মিত এটা খেলে আপনার ক্ষুধার ভাব কমানোর জন্যও কাজ করবে।যেহেতু এতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে, তাই প্রতিদিন সকালে অনায়াসে খেতে পারবেন।
রক্ত ও ইউরিন সমস্যার ক্ষেত্রে-
রক্তের কোলেস্টেরল এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করে থাকে।ডেইলি এক গ্লাস পানিতে এই ভুসি গুলে খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া এর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।অর্থাৎ আপনার ইউরিনের সমস্যা হলে এটি কার্যকর ফলাফল দিবে।
এছাড়াও ডায়বেটিস এর সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য এর মতো জটিল সব রোগের ক্ষেত্রেও এটি খেলে মোটামুটি ভালো ফল পাবেন আশা করা যায়।