0 টি ভোট
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন (12.5k পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (12.5k পয়েন্ট)

গাভীর ওলানের গ্লান্ডুলার টিস্যুর প্রদাহ বা ওলান ফোলে যাওয়াকে ওলান ফোলা রোগ বলে। এ রোগে গুলানের গ্লান্ডুলার টিস্যুর প্যাথলজিক্যাল পরিবর্তনের ফলে ওলানের গঠনের পরিবর্তন ঘটে। এ রোগ হলে গাভীর দৈনিক দুধ উৎপাদন কমে যায়। দুধ উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবে দুগ্ধ শিল্পে আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয় এবং দুধের ঘাটতি হয়।

শনাক্তকরণ পদ্ধতি-

১. স্বাস্থ্য পরীক্ষা-

এ রোগের ইতিহাস, গাভীর ওলান ও বাঁট ইনসপেকশন, পালপেশন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বিভিন্ন ধরনের অস্বাভাবিকতা ওলানফোলা বা ম্যাসটাইটিস রোগ নির্দেশ করে।

২. দুধ পরীক্ষা-

দুধের ফিজিক্যাল পরীক্ষা যেমন-দুধের বর্ণ, দুধের গন্ধ, 'স্ট্রিপ কাপ" পদ্ধতি ইত্যাদির মাধ্যমে এ পরীক্ষা করা হয়।

৩. রাসায়নিক পরীক্ষা-

দুধের PH পরীক্ষা, ক্লোরাইড টেস্ট, হোয়াইডসাইড টেস্ট, ক্যালিফোর্নিয়া ম্যাসটাইটিস টেস্ট, সোমাটিক সেল কাউন্টার দিয়ে পরীক্ষা, সার্ফ ফিল্ড ম্যাসটাইটিস টেস্ট ইত্যাদির মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা হয়।

৪. প্রত্যক্ষ মাইক্রোসকোপিক পরীক্ষা-

সরাসরি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দুধ পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়াও হেমোসাইটোমিটার, অটোমেটিক সেল কাউন্টিং মেশিনেও ওলানফোলা বা ম্যাসটাইটিস রোগ নির্ণয় করা যায়।

সাব-ক্লিনিক্যাল ম্যাসটাইটিস নির্ণয় করে কিভাবে? 

সাব-ক্লিনিক্যাল ম্যাসটাইটিস রোগে তেমন কোন ক্লিনিক্যাল উপসর্গ থাকে না। তবে গাভী দুধ দেয়া কমিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে পরীক্ষা ছাড়া এরোগ নির্ণয় করা যায় না। পরীক্ষা ল্যাবরেটরীতে করালে মান ও ফলাফল ভাল পাওয়া যায়। মাঠ পর্যায়ে সার্ফ ফিল্ড ম্যাসটাইটিস টেস্ট সহজ ও সাশ্রয়ী একটি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় ফলাফল পাওয়ার সাথে সাথেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সার্ফ ফিল্ড ম্যাসটাইটিস টেস্ট-

উপকরণঃ ডিটারজেন্ট (সার্ফ এক্সএল), ১০০ মিলি বিশুদ্ধ পানি, একটি প্লাস্টিক বোতল, একটি পেট্রিডিশ বা একটি গ্লাস স্লাইড, ২৫ মিলি ১টি সিরিঞ্জ। ডিটারজেন্ট সলিউশন প্রস্তুতকরণঃ ৩% ডিটারজেন্ট সলিউশন প্রস্তুত করতে হবে (১০০ মিলি বিশুদ্ধ পানির সাথে ৩ গ্রাম ডিটারজেন্ট মিশিয়ে উত্তমরুপে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে।

দুধ পরীক্ষা পদ্ধতি-

  • প্রথমে, গাভীর ওলান, বাট ও পরীক্ষাকারীর হাত পানি ও জীবাণুনাশক দিয়ে ধৌত করতে হবে।
  • তারপর, পেট্রিডিশ বা গ্লাস স্লাইডে আলাদা একটি বাঁট থেকে ৫-৭ ফোঁটা দুধ ছেঁকে নিতে হবে।
  • অতঃপর, সমপরিমান প্রস্তুতকৃত ডিটারজেন্ট সলিউশন মিশাতে হবে।
  • এরপর, পেট্রিডিশ বা গ্লাস স্লাইডটি সমঅবস্থানে রেখে হালকাভাবে ঘুরিয়ে উত্তমরুপে মিশিয়ে নিতে হবে।
  • দুই মিনিটের মধ্যে পজিটিভ ফলাফলের ক্ষেত্রে ফ্লেকস, রুটস বা ছানার জলের মত দেখাবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 26 বার প্রদর্শিত
04 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharif (12.5k পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 22 বার প্রদর্শিত
09 নভেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharif (12.5k পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 19 বার প্রদর্শিত
0 টি ভোট
1 উত্তর 27 বার প্রদর্শিত
29 অক্টোবর 2025 "পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharif (12.5k পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 18 বার প্রদর্শিত
16 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharif (12.5k পয়েন্ট)

215 টি প্রশ্ন

203 টি উত্তর

0 টি মন্তব্য

2 জন সদস্য

Questionbd❓ এ সুস্বাগতম, যেখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।
...